Model Activity Task Class 5 2021উত্তর পত্র

 

Model Activity Task Class 5 Bangla
Class 5 Model Activity Task Bengali 
Activity Task-1

প্রশ্ন- গল্পবুড়ো কেন ছোটদের ছুটে আসার ডাক দিয়েছেন?

উত্তর- কবি সুনির্মল বসুর লেখা "গল্পবুড়ো" কবিতায় গল্পবুড়ো ছোটদেরকে ছুটে আসার ডাক দিয়েছিলেন তাঁর তল্পিতে থাকা নানা মজাদার গল্প শোনার জন্য। যেমন- দৈত, দানব, যক্ষীরাজ, রাজপুত্র, পক্ষীরাজ, মন পবনের দাঁর, সার-বাঁধা কড়ির পাহাড়, চোখ ধাঁধান  হীরা-মানিক, ঝলমলে সোনার কাঠি, টলটলে ময়নামতী, তেপান্তরের মাঠ, হট্টমেলার হাট।  

প্রশ্ন- লাদাকে জোয়ানদের ঘাঁটিতে বুনো হাঁসেরা কি করেছিল?

উত্তর-লীলা মজুমদারের লেখা "বুনোহাঁস" গল্পে বুনোহাঁসরা জোয়ানদের ঘাঁটিতে মুরগি রাখার খালি জায়গায় ছিল। সেখানে বুনো হাঁসরা টিনের মাছ, তরকারি, ভুট্টা, ভাত, ফলের কুচি, খেত।সারা শীতকাল আহত হাঁসটি এবং তার সঙ্গী জোয়ানদের ঘাটিতেই কাটিয়েছিল। ধীরে ধীরে আহত হাঁসটির ডানা সারল। তখন সে একটু একটু করে উড়তে চেষ্টা করত। তাবুর ছাদ অব্দি উঠে আবার ধুপ করে পড়ে যেত। এই ভাবে তারা লাডাকে জোয়ানদের ঘাঁটিতে কাটিয়েছিল। 

প্রশ্ন- এতোয়া কীভাবে সারাদিন ঘুরে বেড়ায়? 

উত্তর- মহাশ্বেতা দেবীর লেখা "এতোয়া মুন্ডার কাহিনী" গল্পে এতোয়া হাটের দোকানির দোকান ঝাঁট পাট দিয়ে একটা বস্তা চেয়ে নেয়। পুরনো আমবাগানে বাবুর গরু চড়াতে চড়াতে কুড়িয়ে নেয় টোকো আম, শুকনো কাঠ, মেটে আলু ইত্যাদি। তারপর সে ডুলং পেরিয়ে চড়ে ওঠে। সেখানে নানা কথা ভাবতে ভাবতে সে খিদের কথা ভুলে যায়। এই ভাবে সে সারাদিন ঘুরে বেড়ায়। 

প্রশ্ন- বিমলার অভিমানের কারণ কী?

উত্তর- কবি নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্যর লেখা "বিমলার অভিমান" কবিতায় বিমলা একটি শান্ত মেয়ে। সারাদিন ধরে সে পরিবারের নানা লোকের ফরমায়েস অনুযায়ী কাজ করে চলে। সে ফুল এনে ঠাকুরের পুজো করে। দুরন্ত খোকা কেঁদে উঠলে তাকে শান্ত করার দায়িত্ব রয়েছে বিমলার উপর। বাগানে ছাগল ঢুকে নটে গাছ মুড়িয়ে খেলে বিমলাকেই সেই ছাগল তাড়াতে হয়। দাদা খেতে বসলে নুন দিতে হয়, পান খেয়ে ঝাল লাগলে চুন দিতে হয়। অথচ বাড়িতে ক্ষীর খাওয়ার সময় দাদা ও ভাই বেশী পায়। মেয়ে হওয়ার কারণে বিমলার ভাগ্যে জোটে যৎসামান্য। সেই কারনেই বিমলার অভিমান হয়েছে। 

প্রশ্ন- শব্দ এবং পদের মধ্যে পার্থক্য কোথায়?

উত্তর-

                                 শব্দ

                              পদ

১। অর্থ বিশিষ্ট বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টি হল শব্দ।

১। শব্দের সাথে বিভক্তি যুক্ত হলে হয় পদ।

২। অনেক গুলি শব্দ দিয়ে একটি বাক্য তৈরি হয়।

২। বাক্যে অবস্থিত প্রতিটি শব্দ হল পদ।

৩। শব্দের উদাহরন হল- আকাশ, বিদ্যালয়, বাগান ইত্যাদি।

৩। পদের উদাহরন হল- আমি শ্যামের বাড়িতে যাচ্ছি। এই বাক্যে পদ গুলি হল- আমি, শ্যামের, বাড়িতে ও যাচ্ছি।


 Class 5 Model Activity Task Bengali 
Activity Task-2 👇
প্রশ্ন- কী আছে মোর তল্পিটায়/ দেখবি যদি জলদি আয়" - গল্পবুড়োর তল্পিতে কী কী দেখতে পাওয়া যাবে? 
উত্তর- সুনির্মল বসুর "গল্পবুড়ো" কবিতায় যে গল্পবুড়োর কথা বলা হয়েছে তার ঝোলায় রয়েছে নানা ধরনের গল্প। যেমন- দৈত, দানব, যক্ষীরাজ, রাজপুত্র, পক্ষীরাজ, মন পবনের দাঁর, সার-বাঁধা কড়ির পাহাড়, চোখ ধাঁধান  হীরা-মানিক, ঝলমলে সোনার কাঠি, টলটলে ময়নামতী, তেপান্তরের মাঠ, হট্টমেলার হাট, বন্দিনী কেশবতি কন্যা ইত্যাদি। 

প্রশ্ন- 'এমনি করে সারা শীত দেখতে দেখতে কেটে গেল'- বুনোহাঁস গল্প অনুসরনে শীতকালটির বর্ণনা দাও।
উত্তর- লীলা মজুমদারের লেখা "বুনোহাঁস" গল্পে লাডাকে জোয়ানদের ঘাঁটিতে যে শীতকালের বিরবরন পাওয়া যায় তা হল- শীতের শুরুতে মাথার উপর দিয়ে দলে দলে বুনোহাঁস দক্ষিণ দিকে উড়ে যেত, সেখানে একদিন একটি বুনোহাঁস দল ছেড়ে একটি ঝোপের উপর নেমে পড়ে আর তার সঙ্গে আর একটি হাঁস ও নেমে আসে। জোয়ানরা প্রথম হাঁসটিকে তাবুতে এনে দেখে তার ডানায় জখম হয়েছে, তাই সে উড়তে পারছিলনা। জোয়ানরা তাবুতেই মুরগি রাখার খালি জায়গায় হাঁস দুটিকে তারা রাখে। জোয়ানরা ইদুরটিকে মাছ, তরকারি, ভুট্টা, ভাত ও ফলের কুচি এইসব খেতে দিত। জোয়ানদের পরম যত্নে হাঁসটির ডানা সেরে ওঠে, সে একটু একটু করে উড়তে চেস্টা করে। এই ভাবে দেখতে দেখতে গোটা শীতকাল কেটে যায়। 
প্রশ্ন- শুনেই হাবু বেজায় কাবু'- কোন কথা শুনে হাবু কেন কাবু হয়ে পড়ল?
উত্তর- ভবানী প্রসাদ মজুমদারের লেখা "দারোগাবাবু এবং হাবু" কবিতায় দারোগা বাবু ঘরের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য যখন ঘরের সব দরজা- জানালা খুলে রাখার পরামর্শ দিয়েছিল তখন হাবু কাবু হয়ে পড়ল। 
কারণ দরজা জানালা খুলে দিলে হাবুর দেড়শ পোষা পায়রা উড়ে যাবে। 
প্রশ্ন- ঝড় বাদলের রাতে স-ব শোনা যায়'- কী শোনা যায় বলে বক্তার বিশ্বাস? 
উত্তর- মহাশ্বেতা দেবীর লেখা "এতোয়া মুন্ডার কাহিনী" গল্পে লোধা বুড়ো ভজন ভুক্তা বিশ্বাস করে যে শূরবীর নামে এক আদিবাসী রাজা ছিলেন। তাকে ভক্তিভরে কেউ ডাকলে রাজা ঘন্টা বাজিয়ে হাতির পিঠে চেপে ধনুক হাতে ডুলং নদীর জল থেকে উঠে আসে। তারপর বাঘের মত গর্জন করে বলে- " কে ডাকে আমায়? আমার সেনারা কোথায়? জল থেকে উঠে আসব, আমার রাজ্য আমার হবে, মাটি ঢেকে দেব জঙ্গলে আর জঙ্গলের প্রানী, জঙ্গলের মানুষ দিয়ে। সেজন্য পাতালে আমি কতদিন অপেক্ষা করব? " ঝড় বাদলের রাতে এসব কথা শোনা যায় বলে বক্তার বিশ্বাস।  
প্রশ্ন- ছিটকিনিটা আস্তে খুলে পেরিয়ে গেলাম ঘর'- তার পরবর্তী পরিস্থিতির কথা পাখির কাছে ফুলের কাছে কবিতা অনুসরনে লেখো।
উত্তর- আল মাহমুদের লেখা "পাখির কাছে ফুলের কাছে" কবিতায় ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে কবি দেখলেন শহর যেন থর থর করে কাঁপছে। সৌধ বা মিনারটা থমকে দাঁড়িয়ে আছে এবং পাথর ঘাটার গির্জাটাকে যেন লাল পাথরের ঢেওয়ের মত মনে হছে। 
প্রশ্ন- খাব না তো আমি- কথাটি বিমলার অভিমান কবিতায় কতবার ব্যবহৃত হয়েছে? কথক কেন বারবার কথাটি উচ্চারন করেছে?
উত্তর- নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের "বিমলার অভিমান" কবিতায় "খাব না তো আমি" - কথাটি চার বার ব্যবহৃত হয়েছে। 
বিমলা সারাদিন পরিবারের সকলের ফরমাশ অনুযায়ী কাজ করে চলে। অথচ খাওয়ার বেলায় তার দাদা ও ভাইকে যথেষ্ট পরিমানে দেওয়া হলেও মেয়ে হওয়ার কারণে বিমলার ভাগ্যে জোটে অতি সামান্য। তাই বিমলার খুব অভিমান হয়েছে। সেই কারণে সে "খাব না তো আমি" কথাটি বারবার উচ্চারন করেছে। 
প্রশ্ন- সন্ধি বিচ্ছেদ 
         উন্মেষ এর সন্ধি বিচ্ছেদ- উৎ+মেষ্‌= উন্মেষ 

        পদ্ধতি সন্ধি বিচ্ছেদপদ+ হতি= পদ্ধতি

         রাজ্ঞী সন্ধি বিচ্ছেদরাজ+ নী= রাজ্ঞী

          ষষ্ঠ সন্ধি বিচ্ছেদষষ্‌+ = ষষ্ঠ 

প্রশ্ন- গাঢ় নীল আকাশ মাথার উপর- নিম্ন রেখাঙ্কিত পদটি হল সকর্মক ক্রিয়া/ নাম বিশেষণ/ বিশেষণের বিশেষণ/ ক্রিয়া বিশেষণ। 

উত্তর- বিশেষণের বিশেষণ

প্রশ্ন- সন্ধি বিচ্ছেদ করো- পরিস্কার 

উত্তর- পরিঃ+কার 

Post a Comment

0 Comments